ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া (Trigeminal Neuralgia)--- “ট্রাইজেমিনাল” নামক স্নায়ু (V nerve) বরাবর তীব্র ব্যাথার সৃষ্টি হয় । 

#আমাদের কপাল(Opthalmic division-V1),গাল(Maxillary Division -V2) অথবা চোয়াল (Mandibular division -V3) র দিকে ব্যাথা হয়। এই ব্যথার অনুভূতি অনেক টা ছুরি দিয়ে আঘাতের মতো বা বৈদ্যুতিক শকের মতো হয় ।যা মূলত কথা বলতে গেলে , খাবার খেতে গেলে বা দাঁত মাজার সময় বেড়ে যায়। 


#ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া কেন হয় ?


ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়ার সঠিক কারণ এখনো অজানা, তবে কোনো কোনো সময় দেখা যায় যে আমাদের ব্রেন এর আর্টারি(Superior Cerebellar Artery) , ট্রাইজেমিনাল নার্ভের উপরে চাপ দেয়। ফলে ট্রিজেমিনাল নার্ভের উপরের যে আবরণ থাকে টা নষ্ট হয়ে যায় । আর তার থেকে ব্যাথা শুরু হয়।

# লক্ষণ সমূহ--


ব্যাথার ধরণ : এই ব্যথা সাধারণত তীব্র ছুরির আঘাতের মতো বা বৈদ্যুতিক শকের মতো হয়। 

ব্যাথার অবস্থান : মুখের যে অংশে ট্রাইজেমিনাল নার্ভের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শাখা রয়েছে সেই জায়গায় হতে শুরু করে । মূলত কপাল থেকে শুরু করে চোখ ,গাল ,চোয়াল ,মাড়ি ও দাঁত এসব এই ব্যথায় প্রভাবিত হয় ।

ব্যাথার সময়কাল : ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া হঠাৎ করে শুরু হয় যা কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট পর্যন্ত থাকতে পারে ।এছাড়া আক্রান্ত রোগীরা বারবার এই ব্যথা অনুভব করে ।

 যখন বেশীভয় : হালকা স্পর্শ ,কিছু চিবানো,কথা বলা ,দাঁত মাজা এইসব কাজে এই ব্যাথা বাড়ে সাধারণত। 


#শনাক্ত -

 মাথার MRI এর মাধ্যমে (CISS protocol) এই রোগের ডায়গনসিস করা হয় ।

#চিকিৎসা --

 ব্যাথার তীব্রতা ও ধরণ অনুযায়ী ওষুধ এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়-

 যেমন :

 অ্যান্টিকনভালসেন্ট ওষুধ: এই ওষুধগুলি স্নায়ু নিয়ন্ত্রণ করে ব্যথা কমাতে পারে ।

MVD(Microvascular Decompression --উপরের ছবিতে)--আধুনিকতম চিকিৎসা, এই সার্জারি করে trigeminal nerve কে চাপমুক্ত করা যায় ।

RADIOFREQUENCY ABLATION : রেডিও ফ্রকোয়েন্সি আব্লেশন এর মাধ্যমে এই তীব্র ব্যথা দীর্ঘস্থাযী ভাবে কমানো সম্ভব।

 

ধন্যবাদ 

#ডা.সাইফুল 

#sword_NS